উপাদান সমূহ:
ফরমিকএসিড, এসকারবিক এসিড ইস্ট এক্সট্রাক্ট, সাইট্রিক এসিড প্রোপাইলিন গ্লাইকল, সরবিক এসিড, কপার সালফেট, ল্যাকটিক এসিড, কোবাল্ট সালফেট,প্রেপায়নিক এসিড. ডি.এল মিথিওনিন এসিটিক এসিড,এল লাইসিন।
ব্যবহার ক্ষেত্র:
সকল প্রকার অপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিনিয়ন্ত্রন করে। যেমন সালমোনেলা, ই.কলাই, ক্লসট্রিডিয়াম, স্ট্রেপটোকক্কাস, ক্যামপাইলো ব্যাকটার, সিওডিামোনাস, স্ট্যাফইলোকক্কাস। পানির গুনগত মান বৃদ্ধি পায়। বিপাকিয় সমস্যাদি, রক্তশুন্যতা ও শ্বাস প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়। ডায়রিয়া, মৃত্যুর হার, উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস, ক্ষুধামন্দা, ভ্যাকসিনের অকার্যকারীতা, গামবোরো, রাণীক্ষেত রোগে আক্রান্ত হলে, ২য় পর্যায়ের সংক্রামনে এন্টিবায়োটিকের সহায়ক চিকিৎসায় দ্রুত ফল পাওয়া যায়।
উপকারীতা: হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। পানির পিএইচ চার বা তার নিচে নিয়ে আসে যা পানিরও পোল্ট্রির অম্লের এন্টিব্যকটেরিয়া নিয়ন্ত্রন করে। ফলে পানির গুনগত মান বৃদ্ধি পায়। পানির ও পোল্ট্রির খাদ্যনালির সালমোনেলা ও ই.কলাই প্রতিরোধ করে, ফলে চিকিৎসায় খরচ কম হয়।
প্রয়োগ মাত্রা:
১ মিলি প্রতি লিটার খাবার পানির সাথে মিশিয়ে দিনে ১-২ বার ৩-৫দিন খাওয়াতে হবে।