উপাদান সমূহ:
ক্যালসিয়াম-২গ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম-১00মি গ্রাম, ফসফরাস-৮.৩৪.৫ মিগ্রাম, বি১২-১০০ মি.গ্রাম, ডি৩-৮০০০ আই,ইউ,
কপার-২৫০ মিগ্রাম, জিংক-০.৭৫ মিগ্রাম, এনজাইম-(হার) ১০০ মিগ্রাম, আয়রন-১০ মিগ্রাম, কোবাল্ট-১০ মিগ্রাম।
ব্যবহার ক্ষেত্র:
ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ডি৩, বি১২ ও সমৃদ্ধ খাদ্য সম্পূরক জিংক ও কপার গবাদি পশুর বন্ধাত্য
রোধে, রক্তস্বল্পতা, রোগ প্রতিরোধে, মোটাতাজাকরণে, প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে, দুধ প্রদানকালিন সময় ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে, দুধ জ্বর ও বন্ধাত্ব রোধে, সুস্থ বাছুর উৎপাদন করে। এছাড়া ও অপুষ্টি ও সংক্রামক রোগের প্রতিরোধ ও সহায়ক চিকিৎসায় নির্দেশিত।
প্রয়োগ মাত্রা:
পূর্ণ বয়স্ক গরুঃ প্রতি গরুতে দৈনিক ১০০ মিলি করে ৭-১০দিন
বাছুর: প্রতি দিন ২০-২৫ মিলি করে ৭-১০ দিন।
পোল্ট্রি: ৩মি.লি/২লিটার পানিতে দিনে ১ বার ৫-৭ দিন খাওয়াবেন।
দুধ প্রদানকালীন সময়ে জে-ক্যালভেট কেন খাওয়াবেন?
দুধের সঙ্গে দেহের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম গরুর দেহের হাড় ও রক্ত থেকে বের হয়ে যায়। শুকনো মৌসুমে প্রতিটি গরুর জন্য প্রতিদিন ১০-১২গ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়। ১০লিটার কোলস্ট্রাম বা শালদুধ উৎপাদিত হয়, এরকম প্রতিটি দোহনে গাভীর শরীর থেকে আনুমানিক ২৩গ্রাম পরিমান ক্যালসিয়াম বের হয়ে যায়। দোহনকালীন সময়ে প্রতিটি গরু থেকে গড়ে ৩০গ্রাম পরিমান ক্যালসিয়াম বের হয়ে যায়। যা সে খাবার থেকে মেটাতে পারে না। সে কারনে দুধ প্রদানকালীন সময়ে জে-ক্যালভেট খাওয়ানো জরুরী।